Blood pressure

ব্লাড প্রেশার মেশিন ও ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক নিয়ম

ব্লাড প্রেশার মেশিন ও ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক নিয়ম-Aleef-Surgical
ম্যানুয়াল ব্লাড প্রেশার মেশিন এবং স্টেথোস্কোপ

ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার মেশিনের সুবিধা ও অসুবিধা

ম্যানুয়াল ব্লাড প্রেসার মেশিনের সুবিধা ও অসুবিধা

বৈশিষ্টডিজিটাল মেশিনম্যানুয়াল মেশিন
Accuracy (নির্ভুলতা)ভালো, তবে ব্যাটারির ওপর নির্ভরশীলখুব ভালো এবং নির্ভরযোগ্য
Ease of Use (ব্যবহারের সহজলভ্যতা)অত্যন্ত সহজবেশ কঠিন, প্রশিক্ষণ দরকার
Home Use (বাসায় ব্যবহার)সেরা পছন্দউপযুক্ত নয়
Clinical Use (ক্লিনিক্যাল ব্যবহার)স্ক্রিনিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়চিকিৎসকদের প্রথম পছন্দ
Maintenance (রক্ষণাবেক্ষণ)ব্যাটারি বদলাতে হয়কাফ এবং বাল্ব চেক করতে হয়
Cost (খরচ)তুলনামূলক কিছুটা বেশিসাধারণ মডেলে খরচ কম

বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্লাড প্রেসার মেশিন ব্র্যান্ড

ব্লাড প্রেশার মেশিন বাসা বা অফিসে রাখার সুবিধা কি আছে ?

বাড়িতে রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র থাকলে সহজেই রক্তচাপ পরিমাপ করা যায়। রক্তচাপ প্রতিদিন মেপে রাখলে এই ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট ফলোআপ করতে সুবিধা হয়। ওষুধ সেবনের সময়ে বা শারীরিক ব্যায়াম করার সময়, বা অন্য কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হতে চাইলে, রক্তচাপের ওপর প্রভাব পরিমাপ ও মূল্যায়ন করতে পারেন। বাড়িতে রক্তচাপ মাপার যন্ত্র থাকলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হয়। তাই বাসা বা অফিসে ব্লাড প্রেশার মেশিন থাকাটা জরুরী।

ডিজিটাল ব্লাড প্রেশার মনিটর

ব্লাড প্রেশার মাপার সময় যা করবেন, যা করবেন না 

রক্তচাপ মাপার আগে প্রস্তুত হয়ে নিন। এ জন্য অন্তত এক ঘণ্টা আগে কোনো কায়িক পরিশ্রম, ব্যায়াম বা খেলাধুলা করবেন না। চা-কফিও এক ঘণ্টার মধ্যে পান করবেন না।

রক্তচাপ মাপার আগে ১০ মিনিটের জন্য আরাম করুন এবং প্রসাব করে নিন। পা গুটিয়ে বা আড়াআড়ি (ক্রস) করে বসবেন না। পা মাটিতে ছুঁইয়ে রাখুন। বাহু কোনো স্ট্যান্ড বা টেবিলে রাখুন, যাতে এটি প্রসারিত না হয়। বাহুতে খুব শক্তভাবে কাফ বাঁধবেন না। পরিমাপের সময় বারবার কথা বলবেন না বা যন্ত্র স্পর্শ করবেন না।

ব্লাড প্রেশার কীভাবে মাপবেন ?

রক্তচাপ মাপার যন্ত্রটির কাফের নিচের প্রান্ত কনুইয়ের সামনের ভাঁজের ২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার ওপরে ভালোভাবে আটকাতে হয়। কনুইয়ের সামনে হাত দিয়ে ব্রাকিয়াল ধমনির অবস্থান স্থির করে তার ওপর স্টেথোস্কোপের ডায়াফ্রাম বসানো হয়। ডায়াফ্রাম এমনভাবে চাপ দেওয়া উচিত, যেন ডায়াফ্রাম ও ত্বকের মাঝখানে কোনো ফাঁক না থাকে।

চাপ মাপার সময় কাপড় কিংবা কাফের ওপরে স্টেথোস্কোপ রাখা যাবে না। রক্ত চাপমান যন্ত্রের ঘড়ি হৃদ্‌পিণ্ডের একই তলে অবস্থান করতে হবে। এরপর রেডিয়াল ধমনি অনুভব করা হয় এবং ধীরে ধীরে চাপমান যন্ত্রের চাপ বাড়ানো হয়।

রেডিয়াল পালস বন্ধ হওয়ার পর চাপ ৩০ মিলিমিটার ওপরে নেওয়া হয়। তারপর আস্তে আস্তে চাপ কমানো হয়। প্রতি বিটে সাধারণত দুই মিলিমিটার চাপ কমানো হয়। তাড়াতাড়ি চাপ কমালে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আস্তে আস্তে ছাড়ুন.

এবার চাপ কমানোর সময় স্টেথোস্কোপ দিয়ে ব্রাকিয়াল ধমনিতে সৃষ্ট শব্দ মনোযোগের সঙ্গে শোনা হয়। চাপ কমতে শুরু করলে রক্ত চলাচলের ফলে এক ধরনের শব্দ সৃষ্টি হয়। একে করটকফ শব্দ বলা হয়। করটকফ শব্দ ধাপে ধাপে পরিবর্তন হয়। এই শব্দের ধরন অনুসারে পাঁচটি পর্যায় রয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে এক ধরনের তীক্ষ্ণ শব্দের সৃষ্টি হয়। এটা সিস্টোলিক রক্তচাপ নির্দেশ করে। যে চাপে শব্দ বন্ধ হয়ে যায় সেটাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। এককথায় শব্দ যখন শুরু হবে সেটা সিস্টোলিক এবং শব্দ যখন শেষ হবে সেটা ডায়াস্টোলিক।

রক্তচাপের অবস্থাসিস্টোলিক (উপরের চাপ)ডায়াস্টোলিক (নিচের চাপ)
স্বাভাবিক১২০ এর নিচে৮০ এর নিচে
প্রি-হাইপারটেনশন (ঝুঁকিপূর্ণ)১২০ থেকে ১২৯৮০ এর নিচে
উচ্চ রক্তচাপ (স্টেজ ১ ও ২)১৩০ বা তার বেশি৮০ বা তার বেশি
জরুরি অবস্থা (ক্রাইসিস)১৮০ এর বেশি১২০ এর বেশি

Frequently Asked Questions (FAQ)

Leave a Reply